সারা পৃথিবী এখন আপনার হাতে, সময় সামনে আগানোর

সারা পৃথিবী এখন আপনার হাতে, সময় সামনে আগানোর

আউটসোর্সিং অথবা ফ্রীলাঞ্চিং এখন এমন অবস্থা যে সবাই এই শব্দগুলির সাথে পরিচিত। আর পরিচয় না হয়ে উপায় ও নাই কিন্তু। একটা প্লাটফর্ম যেখান থেকে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন। তবে হ্যাঁ অবশ্যই যোগ্যতা থাকা লাগবে। ব্যাপারটা এমন না যে মাউস দিয়ে কোথাও ক্লিক করলেন আর টাকা চলে আসলো। এই আর্টিকেল এ আমি টেকনিক্যাল বিষয়ে কম বলব, একটা গাইডলাইন এর মত দেয়ার চেষ্টা করব যেটা প পড়ার আপনি ঠিক করতে পারবেন আপনার জন্য কোনটা সেরা আর টাকা উপার্জন করতে হলে আপনাকে কি কি করতে হবে। টাকা উপার্জন করলে ও তো হয় না, সমাজে নিজের একটা জায়গা করে নেয়ার ব্যাপার থাকে। আবার অনেকের অনেক রকম সমস্যা ও আছে। “এই কারনে আউটসোর্সিং করতে পারছি না, সেই কারনে পারব না” সেগুলি নিয়ে ও কথা বলার ইচ্ছা আছে।

সারা পৃথিবী এখন আপনার হাতে

 

আর্টিকেল এর টাইটেল এর একটা লাইন। আসলেই তাই সারা পৃথিবী এখন আপনার হাতের মুঠোয় তাই সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না। আপনি আপনার বাসায় বসে আপনার কম্পিউটার এ ইন্টারনেট এর সাহায্যে সারা পৃথিবীর কাজ করতে পারবেন।একটু ব্যাখ্যা করি। আমি যখন ২০০৪ সাল এ গ্রাফিক ডিজাইন এর উপর পড়াশুনা শেষ করলাম আমার গ্রাফিক ডিজাইন এর মাধ্যমে উপার্জন করার একটাই উপায় ছিল সেটা হল চাকুরি, কোন দেশি অথবা বিদেশি কোম্পানিতে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে চাকুরি করা। আবার আমি যখন ২০০৮ সাল এ ভিডিও এডিটিং শিখলাম শুধু মাত্র এটা চিন্তা করে যে বাংলাদেশ এর কোন টিভি চ্যানেল এ চাকুরি হয়ে যাবে অথবা কোন এড ফার্ম এ। তার মানে হচ্ছে আগে এই পেশাগুলি কম জনপ্রিয় ছিল। ডিম্যান্ড বেশি ছিল না।
কিন্তু এখন। আপনি গ্রাফিক ডিজাইন শিখেছেন, ভিডিও এডিটিং শিখেছেন, শিখার পর এটা বলতে পারবেন না যে কাজ নাই। এটা বলতে পারেন যে কাজের অভাব নাই। আসলে ই তাই। ঠিক আছে মানলাম বাংলাদেশ এর লোকাল মার্কেট এ এখন গ্রাফিক ডিজাইন আর ভিডিও এডিটিং অথবা এই ধরনের পেশা খুব জনপ্রিয় না কিন্তু বাইরের দেশ এ?? বাইরের দেশে এর জনপ্রিয়তা এবং চাহিদা অনেক অনেক বেশি যা আপনি হয়ত চিন্তা ও করতে পারছেন না। এখন ব্যাপার তো এমন না যে বাইরের দেশ এর কাজ করতে হলে আপনাকে সেই দেশ এ যেতে হবে। আবার লিখতে হচ্ছে আপনি আপনার বাসায় বসে আপনার কম্পিউটার এ ইন্টারনেট এর সাহায্যে সারা পৃথিবীর কাজ করতে পারবেন। বাংলাদেশ এ আপনার কাজ থাকুক কি না থাকুক, বাংলাদেশ এর কোন টিভি চ্যানেল থাকুক কি না থাকুক। বাংলাদেশ থেকে ধরে নিলাম গ্রাফিক ডিজাইন উঠে ই গেল তাতে ও কিন্তু কোন সমস্যা নেই। আপনি ঘর এ বসে সারা পৃথিবীতে যোগাযোগ করতে পারছেন, কাজ করতে পারছেন। তাহলে অবশ্যই বলা যায় যে কাজ করার জন্য সারা পৃথিবী আপনার হাতের মুঠোয়। সময় এখন সামনে এগোনোর।

নিজের দুর্বল পয়েন্টকে বানান নিজের শক্তিশালি পয়েন্ট

 

এই কথাগুলি বলার পর ই আসলে আপনাদের থেকে নানা রকম সমস্যার কথা শুনা যায়। তার কিছু নিয়ে কথা বলা যাক। কিভাবে সমস্যাগুলিকে আর সমস্যা মনে না হয়ে মনে হবে তাহলে তো ভাল ই হল
কিভাবে? দ্বিধায় পরে গেলেন? আসলে ই সম্ভব। নিজের দুর্বল জায়গাগুলিকে শক্তিশালি জায়গাতে পরিবর্তন করুন। যেমন
এরকম সমস্যা প্রায় ই শুনা যায় যে আউটসোর্সিং করতে রাত জাগা লাগে কিন্তু রাত জাগা তো সম্ভব না। তাই আউটসোর্সিং বাদ। ব্যাপারটা একদম ই এরকম না। আউটসোর্সিং করতে গেলে রাত জাগা লাগে এটা সত্যি কথা, কিন্তু রাত না জেগে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন না এটা আবার একদম ই সত্যি না। কিভাবে? আপনি যদি আমেরিকা, ইউরোপ এই সব দেশ এ কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে রাত জাগতে হবে কারন ওদের যখন কাজের সময় তখন আমাদের দেশ এ গভীর রাত। কিন্তু তার মানে এই না যে আপনাকে শুধু সেখানেই কাজ করতে হবে। জেনে খুশি হবেন অস্ট্রেলিয়া তে এখন প্রচুর ফ্রীলাঞ্চের দরকার, আর অস্ট্রেলিয়ার টাইম এর সাথে কিন্তু আমাদের টাইম এর খুব বেশি পার্থক্য নাই তাহলে আপনি অস্ট্রেলিয়ার বায়ার এর সাথে কাজ করেন, রাত জাগতে হবে না। আপনি এশিয়ান যে দেশগুলি আছে তাদের জন্য কাজ করেন আপনাকে রাত জাগতে হবে না। দেখলেন তো? আপনি তো ভেবে বসে আছেন রাত জাগতে পারি না তাই কাজ করতে পারব না। ব্যাপারটা কিন্তু একদম ই এরকম না। আর এইভাবে ই চিন্তা করে নিজের দুর্বল পয়েন্টকে শক্তিশালী পয়েন্ট এ পরিবর্তন করতে হবে।

ঠিক করে নিন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন

গ্রাফিক ডিজাইন? ভিডিও এডিটিং? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন? ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি ইত্যাদি। যে বিষয় নিয়ে ই কাজ করেন না কেন প্রতিটা বিষয় এর চাহিদা মার্কেট এ আছে। অল্প কিছু কম অথবা বেশি থাকতে পারে। এখানে ও অন্যভাবে চিন্তা করে দেখুন। জেগুলির চাহিদা কম তার মানে কিন্তু এই না কাজ ই নাই। কাজ আছে কিন্তু অন্যগুলির থেকে হয়ত একটু কম। আর সে জন্য প্রতিযোগিতাও কম। আপনি নিজে ই খেয়াল করবেন একটা গ্রাফিক ডিজাইন অথবা ওয়েব ডিজাইন এর জব এ যে পরিমান বিড হয় একটা ভিডিও এডিটিং অথবা এনিমেশন এর জব এ কিন্তু তার থেকে কম বিড হয়। আর কম বিড হলে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা ও অনেক বেশি থাকে। তাই চাহিদা নাই তাই শিখব না এরকম চিন্তা করার দরকার নাই, আবার চাহিদা অনেক তাই পারব না এরকম চিন্তা করার ও দরকার নেই। আপনাকে মনে রাখতে হবে যদি আপনি কাজ করতে চান আপনাকে যোগ্য হতে হবে আর সেটা হতে পারলে ই আপনি কাজ পাবেন। আর একসাথে অনেক কিছু না করে যে কোন একটা বিষয় এর উপর কাজ করুন আর  আগে থেকে ঠিক করে নিন কোন বিষয়ের উপর কাজ করবেন দেখবেন ভাল করতে পারবেন।

দক্ষতা কিভাবে অর্জন করবেন?

আগের পয়েন্ট এ বলেছি দক্ষ হতে হবে। আর সেটা হউয়ার প্রাথমিক ধাপ হল প্রশিক্ষন নিতে হবে। সেটা আপনি চিন্তা ভাবনা করে কোন প্রশিক্ষন কেন্দ্র ভাল সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নেন। আর প্রশিক্ষণ। দয়া করে এখানে একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন  সেটা হচ্ছে আপনি যখন কোর্স করছেন অথবা করা শেষ তার মানে কিন্তু এই না যে আপনি দক্ষ হয়ে গেলেন আপনি তার পরের দিন থেকে ই কাজ পেতে শুরু করবেন আর হাজার হাজার ডলার আপনার ঘরে চলে আসবে। অনেকে এরকম চিন্তা করে প্রশিক্ষণ নিতে আসে, স্বাভাবিক কারনে ই সফল হয় না। হতাশ হয়ে যায়, অন্যকে হতাশ করে, শিক্ষক এর দোষ, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দোষ। আপনি শিখবেন। আপনার প্রশিক্ষক খুব শুন্দর করে আপনাকে গাইডলাইন দিবে সে ভাবে আপনি কাজ করবেন। প্রচুর পরিমানে অনুশীলন করতে হবে। প্রশিক্ষক কাজ করতে দিল, আপনি করলেন না, আর কোর্স শেষ এ অথবা চলাকালিন সময় আশা করলেন আপনি কাজ করে উপার্জন করবেন এটা কিভাবে? তাই প্রশিক্ষকের কথা শুনতে হবে। কোর্স শেষে সাথে সাথে আপনি কাজ না ও পেতে পারেন, সে জন্য আপনাকে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সেই যোগ্যতা অর্জন করবেন অনুশীলন এর মাধ্যমে, প্রচুর ডিজাইন দেখার মাধ্যমে। প্রথমে আপনি নিজে নিজে কিছু ই পারবেন না। আপনাকে অন্যদের ডিজাইন দেখে আইডিয়া নিতে হবে। শুধু মাত্র ডিজাইন দেখা আর অনুশীলন করা এই দুইটা জিনিশ করে ই আপনি দক্ষ হতে পারবেন।

দক্ষ হলেন তারপর?

দক্ষ হলেন আর বায়াররা আপনার জন্য লাইন এ দাড়া হয়ে গেল ব্যাপারটা এমন না। মনে রাখবেন আপনি আউটসোর্সিং করছেন। এখানে একাই আপনাকে সব কাজ করতে হবে। অনেকটা একাই একশোর মতো। আপনি আপনার কাজে দক্ষ হয়েছেন খুব ভাল। এখন কিন্তু আপনাকে কাজ আনতে হবে। কাজ আনার জন্য বায়ারদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। অ্যাপ্লাই করতে হবে জব এর জন্য। বায়ারকে আকৃষ্ট করতে হবে আপনার কাজ আর কথা দিয়ে। সে জন্য ইংলিশ জানা অনেক জরুরী। ইংলিশ এর জাহাজ না হলে আউটসোর্সিং করা যায় ই না। এরকম তো? এরকম জানেন হয়ত। আসলে ব্যাপারটা একদম ই এরকম না।

তাহলে ইংলিশ কতটুকু জানতে হবে?

আপনাকে ইংলিশ এর জাহাজ হতে হবে যদি আপনি আর্টিকেল লিখার কাজ করতে চান অথবা ভাষান্তর এর কাজ করতে চান। আপনি যদি টেকনিক্যাল কাজ করেন তাহলে সত্যি কথা আপনার বেসিক ইংলিশ জানা থাকলে ই চলবে। আর এখানে ও দুর্বল পয়েন্টকে পরিবর্তন করুন শক্তিশালী পয়েন্ট এ। যাদের কথা আপনি বুঝেন না তাদের সাথে কাজ করার দরকার নাই। আমাদের থেকে ইংলিশ কম বুঝে এরকম বহু দেশ আছে। তাদের সাথে কাজ করেন। তখন দেখবেন তারা ই বলবে আপনার ইংলিশ অনেক ভাল।

কাজ পেলে কি করবেন

কাজ পেলে কি করবেন। অবশ্যই আনন্দ লাগবে, তার থেকে ও যে গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে আপনার আসল কাজ শুরু হল। কাজ পাওয়ার পর কি করবেন সেটা নিয়ে আলাদা করে লিখতে তবে মনে রাখবেন সবসময় বায়ার এর সাথে ভাল ব্যবহার করতে হবে, আপনি যদি মনে করেন সে কাজটা ঠিক করে নাই তারপর ও সেটা ভদ্র ভাবে বলতে হবে। চেষ্টা করবেন সে যে টাইম দিবে সেই টাইম এ অনলাইন এ থাকার জন্য, মনে রাখবেন ব্যাপারটা এমন যে তারা আমাদের জন্য বসে থাকবে না, আমাদের ই তাদের জন্য বসে থাকতে হবে। তাই সময় মেনে চলবেন। যে সময় এ কাজ জমা দিতে বলবে সেই সময় এ কাজ জমা দিবেন। তার জন্য কাজ নেয়ার আগে আপনার কি রকম সময় লাগতে পারে সেটা বায়ারকে বলবেন। আর তারপর ও যদি সময় মতো শেষ করতে না পারেন বায়ারকে অবশ্যই জানাবেন। কাজ জমা দেয়ার পর বায়ার যদি সেটা আবার ঠিক করে দেয়ার জন্য পাঠায় তাহলে খারাপ ব্যবহার করবেন না অথবা না করবেন না। মনে রাখবেন আপনি যদি ভাল কাজ করেন আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন কিন্তু সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল আপনার রেপুটেশন। অন্য বায়াররা আগের বায়ার এর স্কোর দেখে, কমেন্ট দেখে আপনাকে কাজ দিবে তাই বায়ার সাথে সব সময় ভাল ব্যবহার করেন, আপনি যদি কাজ নিয়ে নিশ্চিত না থাকেন যে আপনি পারবেন কি পারবেন না তাহলে সে কাজে অ্যাপ্লাই অথবা সে কাজ করার কোন দরকার নাই এতে শুধু সমস্যাই তৈরি হবে আর কিছু না।

টাকা পাবেন তো?

এটা অনেকের ই প্রশ্ন। কাজ করলে টাকা পাওয়া যাবে তো? আর প্রশ্নটা যুক্তিসঙ্গত ও। কারন আমাদের দেশ এ অনলাইনে ইনকাম শুরু হয়েছিল ক্লিক করে আয় করার মাধ্যমে। এটার সুযোগ নিয়ে কিছু ভুয়া কোম্পানি মানুষকে লোভ দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করিয়ে তাদের টাকা দেয় নাই।পরে জানা গেছে তারা সব ভুয়া কোম্পানি। তাই হয়ত এই ভয় কাজ করে, আর সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে কোন প্রতারনার সুযোগ নাই। মার্কেটপ্লেস এ যে ওয়েবসাইটগুলো আছে সেখানে যদি আপনি কাজ করেন, বায়ার আপনার কাজ গ্রহন করে তাহলে টাকা আপনি অবশ্যই পাবেন। মারকেটপ্লেস সরাসরি আপনাকে টাকা দিবে না। আপনি পেওনিয়ার অথবা ব্যাংক ট্র্যান্সফার এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। তবে এখানে যদি আপনি সাব কন্ট্রাক্ট এ কাজ করেন অর্থাৎ বাংলাদেশ এর কেউ বলল আমি কাজ পেয়েছি তুমি করে দাও আমি তোমাকে এতো টাকা দিব এরকম হলে বুঝে শুনে করবেন এখানে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করুন

ফেসবুক এ প্রায় ই ট্রল দেখি, আউটসোর্সিং যারা করে তাদের পেশাকে কেউ গুরুত্ব দেয় না। মনে করে এগুলি সব ভুয়া, এবং অনেকে আফসোস করে যে বিয়ে করার জন্য মেয়ে পাওয়া যাবে না। কোন মেয়ের বাবা তার মেয়েকে দিবে না। কথা তো পুরাপুরি মিথ্যা না, কিন্তু এর জন্য কি শুধু আমাদের সমাজ দায়ী? না কিন্তু এখানে আপনাকে ও কিছুটা দায়ভার নিতে হবে। আপনি কি করছেন? আউটসোর্সিং করছেন? সেটা তো মানুষকে জানাতে হবে যে আউটসোর্সিং করে আপনি কত ভাল জীবন যাপন করছেন। আপনি দিনের পর দিন ঘরের ভিতর, বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে কোন আইডিয়া নাই, সামাজিক কোন প্রোগ্রাম এ যান না, নিজের ডেস্ক থেকে মাঝে মাঝে সেলফি তুলে ফেসবুক এ দেন। তাহলে মেয়ের বাবারা কিভাবে আগ্রহী হবে? তাদের আগ্রহী করতে হবে আপনাদের। আউটসোর্সিং করছেন, টাকা ভাল ই পাচ্ছেন। পরিবার নিয়ে ঘুরতে চলে যান না কেন? অথবা কোন রেস্টুরেন্ট এ খেতে চলে যান সেখানে গিয়ে মানুষকে জানান আপনি আউটসোর্সিং করে সেই টাকা দিয়ে ঘুরতে আসছেন। খেতে আসছেন তাই না? অনেক বেশি টাকা হয়ে গেলে হুট করে গাড়ি কিনে ফেলেন। মানুষকে কে বিশ্বাস করান আউটসোর্সিং করে গাড়ি ও কেনা যায়। তাহলে ই তো পেশাটা ভাল ভাবে সম্মান পাবে। আর এগুলি মানুষ এর কাছে পৌঁছানর জন্য ফেসবুক তো আছে ই। গাড়ি কিনে যখন গাড়ির সামনে দাঁড়াবেন সেলফি তো একটা হবে ই।

আরিফুল ইসলাম

 

 

 

আমার নাম আরিফুল। গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করি। লিখতে অনেক ভালোবাসি। মুলত আইটি বিষয়ক বিভিন্ন লেখা লিখি থাকি।আমি এই ব্লগের এডমিন। আশা করি আপনাদের ভালো কিছু আর্টিকেল দিতে পারবো যা পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন। এটার সাথে আমি ই ক্যাব এবং জেনেসিস ব্লগে ও লিখে থাকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *