লোগো ডিজাইন এ কি করবেন, কি করবেন না

লোগো ডিজাইন এ কি করবেন, কি করবেন না

গ্রাফিক ডিজাইন এর মধ্যে লোগো ডিজাইন এখন আলাদা করেই বলা যায়, অনেকে নিজেদের শুধু “লোগো ডিজাইনার” বলতে ভালোবাসে তবে যারা নতুন কেউ বুঝে করি কেউ না বুঝে করি, কেউ বায়ার ঠিক যেভাবে বলে সেভাবে করি কিন্তু নিজের মতো করে কিছু করতে পারি না । মনে করি সমস্যাটা ক্রিয়েটিভিটিতে আসলে সবার ই ক্রিয়েটিভিটি আছে শুধু জানি না কিভাবে সেটা ব্যবহার করা লাগে।  অবস্থাটা ঘুরয়ে দিলে কেমন হয়? আপনি যদি বায়ার যেভাবে বলে সে ভাবে না করে আপনি যেভাবে বলবেন বায়ার সে ভাবে করবে এরকম অবস্থায় চলে যেতে পারেন তখন ই আপনাকে সফল লোগো ডিজাইনার বলা যাবে। আপনি যেভাবে বলবেন বায়ার সেভাবে করবে এরকম অবস্থায় যদি আসতে চান তাহলে আপনাকে জানতে হবে লোগো ডিজাইন করতে গিয়ে আপনি কি কি করবেন এবং কি কি করবেন না।

কি করবেন না

লোগোর মধ্যে অনেক কিছু দেয়ার প্রয়োজন নাই

অনেকে লোগোর মধ্যে অনেক কিছু দিয়ে থাকে, দেখে মনে হয় বাপারটা এমন যে শুধু লোগো দিয়ে ই সব বুঝাতে হবে। আসল বাপারটা এমন না, আপনি একটা লোগো তে যত কম উপাদান ব্যবহার করবেন আপনার লোগো দেখতে তত আকর্ষণীয় হবে, আপনি অনেক কিছু ব্যবহার করলে দর্শক বুঝতে পারবে না আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন। যেমন আপনি একটা খাবার এর দোকান এর লোগো বানাবেন, যেহেতু খাবার এর দোকান সেহেতু আপনি কি করলেন লোগোর মধ্যে প্লেট, চামচ,কাপ, সেই কাপ থেকে ধোঁয়া উড়ছে আরও কিছু শেপ এনে বসালেন এরকম করলে লোগো আকৃষ্ট হয় না বরং বোরিং হয়। খাবার এর দোকান বুঝাতে এত কিছু দেয়ার আসলে ই প্রয়োজন আছে কি? আপনি নিজে ই চিন্তা করে দেখুন একটা শেপ দিয়ে ই কিন্তু আপনি অনেক ভালো ভাবে বুঝাতে পারবেন।

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজাইন করা

অবাক হচ্ছেন? যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ই তো লোগো বানানো উচিত তাহলে এরকম কথা কেন?অন্য কিছু ডিজাইন  এর কথা এখানে বলছি না, বলছি লোগো ডিজাইন এর কথা, আপনি হয়ত ২০১৭ এর ট্রেন্ডের কথা চিন্তা করে লোগো বানালেন, সেই ট্রেন্ড ২-৩ বছর চলল তারপর? ফ্যাশান অথবা ট্রেন্ড যখন পুরানো হয়ে যাবে আপনার লোগো ও পুরানো হয়ে যাবে। আপনার দর্শক ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে। যুগের সাথে মিল রেখে লোগো ডিজাইন করা অবশ্যই ভালো একটা বাপার কিন্তু মনে রাখতে হবে সেই ডিজাইন যেন ফ্যাশান পরিবর্তন এর মতো কিছু দিন পর পর পরিবর্তন করা না লাগে, একবার লোগো ডিজাইন পরিবর্তন করা মানে অনেকটা এরকম যে আপনি আপনার বিজনেস আবার প্রথম থেকে শুরু করলেন, তাই কেউ ই হয়ত চাইবে না লোগো পরিবর্তন করতে।

 কিছু দিন পর পর ডিজাইন পরিবর্তন করা

আগের টপিক এ লিখেছি আপনার লোগো যুগের সাথে সাথে পরিবর্তন করা উচিত হবে না। যুগের সাথে সাথে আপনার করা পুরানো লোগো যেন মিলে যায় সেরকম চিন্তা করে লোগো বানানো উচিত। আপনার লোগো হবে সময় হীন অথবা টাইমলেস অর্থাৎ আজকে আপনি যে ডিজাইনটা করলেন সেটা যেন ৫০ বছর পর ও গ্রহণযোগ্যতা পায় সেটা মনে রাখতে হবে।

লোগো নকল করবেন না

মনে হয় লোগো ডিজাইন নিয়ে যত লেখা হবে সব লিখাতে এই পয়েন্ট টা কোন এক জায়গাতে দিয়ে দিতে হবে কারন এই ভুলটা বেশীরভাগ লোগো ডিজাইনার করে, অন্য জায়গা থেকে নকল করে লোগো ডিজাইন করে, তাদের কাছে জানতে চাইলে বলে এমন ভাবে করেছি কেউ ধরতে পারবে না, কেউ ধরতে না পারাটা বাহাদুরির না, আপনি নিজের মতো করে লোগো ডিজাইন করতে পারছেন না, নিজের মতো করে চিন্তা করতে পারছেন না, যে বিষয়ের উপর লোগো বানাচ্ছেন সেই  গবেষণা করতে চাচ্ছেন না, একটা দুইটা লোগো দেখে শুধু কপি করে দেয়া। ইউটিউব এর লোগোর মতো লোগো মনে হয় সব থেকে বেশি নকল হয়। যার জন্য লোগো বানাচ্ছেন তার কাছ থেকে সব রকম তথ্য নিয়ে নিতে হবে, কি রকম বিজনেস, কি টার্গেট ইত্যাদি ইত্যাদি , আর অনেকে বলে গুগল থেকে লোগো দেখে আইডিয়া নিয়ে লোগো বানানোর জন্য, ঠিক ই আছে কিন্তু আমি একটু অন্য ভাবে বলতে চাই, গুগল এ যান, যে লোগো বানাচ্ছেন সেই লোগো সম্পর্কিত লোগো দেখেন, এরপর যেরকম ডিজাইন সেখানে দেখেন নাই সেরকম ভাবে একটা ডিজাইন তৈরি করুন, তাহলে দেখেন আপনার ডিজাইন অন্যদের ডিজাইন থেকে আলাদা করা যাবে, আপনার ডিজাইন এর একটা পরিচয় খুজে পাওয়া যাবে।

কোম্পানির বিষয় না, উদ্দেশ্য নিয়ে লোগোর আইডিয়া বানান

আমরা যখন কোন কোম্পানির লোগো বানাই তখন সেই কোম্পানির ধরনের সাথে মিল রেখে লোগোতে শেপ ব্যবহার করি, স্কুল কলেজ এর লোগোতে বই, রিয়াল এস্টেট কোম্পানির লোগোতে বিল্ডিং ইত্যাদি, নিজেকে একটু আলাদা ভাবে উপস্থাপন করতে চাইলে অন্যভাবে চিন্তা করুন, গ্রামীণ ফোন এর লোগোতে কিন্তু মোবাইল এর শেপ নাই।  নোকিয়া কোম্পানির লোগোতে তো মোবাইল এর শেপ থাকতে ই পারত তাই না। এখানে সব সময় কোম্পানির বিসয় এর উপর ফোকাস না করে কোম্পানির উদ্দেশ্য এর উপর ফোকাস করে লোগো বানানো যেতে পারে নোকিয়া কি বলছে? “ Connecting people” আর ডিজাইন এ দুইটা হাত একে অপরকে ধরার চেষ্টা করছে।এমাজন এর লোগোতে কথায় ই কমার্স এর শেপ আছে? Amazon এর A-Z পর্যন্ত একটা এরো আর সেটা হাসির মত দেখায়।  এরকম ভাবে লোগো বানালে লোগো অন্নদের থেকে আলাদা হবে আর আপনার কদর বাড়বে।

কম ফন্ট ব্যবহার করুন।

লোগো বানাতে গিএ আমরা একটা লোগোতে অনেক রকম ফন্ট ব্যবহার করি যেটা একদম এ ঠিক না। লোগো ডিজাইন এর বেসিক নিয়ম বলে আপনি বেশি হলে ২টা ফন্ট ব্যবহার করেন। অথবা একটা ফন্ট ই ব্যবহার করেন, লোগোর টাইটাল এ দিলেন বোল্ড আর স্লোগান এ রেগুলার রাখলেন।

কি করবেন

 দর্শকদের কথা চিন্তা করে লোগো ডিজাইন করেন

প্রথমেই চিন্তা করুন  কিসের উপর বিজনেস, সেই বিজনেস এ কোন ধ ধরনের মানুষ সম্পর্কিত, কত হতে পারে তাদের বয়স, তারা কি ছেলে নাকি মেয়ে, সে ভাবে আপনি লোগো ডিজাইন করুন। ধরুন আপনি একটা ডিজাইন করছেন ছোট বাচ্চাদের খেলনা শপ এর লোগো সেখানে যদি আপনি কালো অথবা ডিপ কালার ব্যবহার না করেন, লোগো দেখে যদি মনে হয় কত গম্ভির একটা বিষয় তাহলে কি হবে? হবার কথা না। আপনাকে সেখানে ব্রাইট কালার, মজার কিছু শেপ ব্যবহার করে লোগো বানাতে হবে। এমনি করে আপনি আগে দর্শক এর কথা চিন্তা করবেন তারপর লোগো ডিজাইন করবেন। এখানে দর্শক এর বয়স আসতে পারে, নারী, পুরুষ আসতে পারে, দেশের ব্যাপার আসতে পারে। এখানে ও বলব নির্দিষ্ট বিষয়ের এর শেপ ব্যবহার না করে বিজনেস এর উদ্দেশ্য উপর ভিত্তি করে লোগো বানালে সেটা দর্শক জনপ্রিয়তা বেশি পায়।

 

ভিন্ন কিছু করার জন্য চেষ্টা করা

কেউ নকল করলে সেটা ধরিয়ে দিলে খুব মজার কথা বলে। একবার এক সিনেমা পরিচালক যুক্তি দিচ্ছিল যে পৃথিবীর সব সিনামায় নাকি সব ডায়ালগ বলা হয়ে গেছে তাই এখন আর নতুন করে কিছু বানানো যাবে না। আসলে কি ই তাই, তাহলে লোগো ডিজাইন এর ব্যাপার ও কি এরকম, সব ধরন এর চিন্তা হয়ে গেছে তাই অন্য রকম চিন্তা করে লোগো বানানো যাবে না। আমার মনে হয় পৃথিবী যতদিন থাকবে মানুষ অনেক নতুন নতুন জিনিস চিন্তা করবে, আবিষ্কার করবে। আর যে আবিষ্কার করবে তাকে ই সবাই চিনবে পরে যে সেটার কপি করবে কেউ তাকে চিনবে বলে মনে হয় না।

আগে খাতায় এঁকে নিন

আপনি যখন সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করতে শুরু করবেন কিছু না কিছু সমস্যা আপনার হতে ই পারে। দেখা গেলো আপনি যেমন চিন্তা করছেন সেরকম ভাবে আপনি টুলস দিয়ে ডিজাইন করতে পারছেন না। সেটা আপনি যতই অভিজ্ঞ হন না কেন এরকম সমস্যা হতে ই পারে। সে জন্য কোন লোগো ডিজাইন করার আগে আপনি যা ভাবছেন  সেটা এঁকে ফেলুন, পেন্সিল দিয়ে আঁকলে ভালো তাহলে সেখানে ভুল হলে আপনি ঠিক করতে পারবেন এখন সমস্যা হল আপনি তো আঁকতে পারেন না, তাই তো, কোন সমস্যা নেই, এই আঁকাটা শুধু আপনার জন্য এমন না যে বায়ার দেখবে,  আকার মান যতই খারাপ হোক সমস্যা নেই কিছু। আপনি যদি এঁকে আইডিয়া বের করেন তাহলে আর একটা সুবিধা হল আপনি অনেক তাড়াতাড়ি অনেকগুলি আইডিয়া বের করে ফেলতে পারবেন। যে চিন্তাগুলি করেছেন সেগুলি কাগজে প্রকাশ করুন।

সাধারণ ডিজাইন করেন

অন্য কিছু ডিজাইন করার সময় কি করবেন সেটা পরের ব্যাপার কিন্তু আপনি যখন লোগো ডিজাইন করবেন লক্ষ্য রাখবেন যেন আপনার ডিজাইন সাধারণ হয়। এমন ডিজাইন করতে যাবেন না যার অর্থ বের করতে দর্শক এর অনেক সময় লাগে আর অনেক জটিল ডিজাইন এর একটা সমস্যা হল আপনি যখন সেটা অনেক ছোট করবেন অথবা বড় করবেন অনেক কিছু ই বুঝা যাবে না। তাই ডিজাইন খুব সাধারণ করুন। মনে রাখবেন সাধারণ ডিজাইন মানে এই না যে আপনি সেখানে কোন ক্রিয়েটিভিটি ব্যবহার করবেন না, যা মন চাইল একটা করে দিলেন এরকম না। সাধারণ ডিজাইন এর মানে  হচ্ছে আপনি যে ডিজাইন করছেন সেই ডিজাইন দেখতে সাধারণ লাগবে এবং সেই সাধারণ ডিজাইন এর মধ্যে কিছু চমৎকার মেসেজ থাকবে।

কম্পোজিশন ভালো ভাবে করেন

অনেক সুন্দর ভাবে করা ডিজাইন শুধু মাত্র ভালো লাগে না কম্পোজিশনের  কারনে, ডিজাইন যে করেছ সে খুব সুন্দর ভাবে মেসেজটা ফুটিয়ে তুলেছে কিন্তু তার শেপ এবং টেক্সট এর প্লেসমেন্ট ঠিক মতো হয়নি। শেপ এবং টেক্সট এর মধ্যে যতটা ফাঁকা রাখা দরকার ছিল সেটা ঠিক মত হয় নি। শেপ এর নিচে টেক্সট দিলে ভালো হতো দিয়েছে শেপ এর পাশে, অথবা শেপ এর পাশে দিলে ই সুন্দর হতো কিন্তু  দিয়েছে নিচে, এগুলি অনেক ছোট খাট কিছু ব্যাপার কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ।

লোগোর সাইজ এর ব্যাপার এ কি চিন্তা করছেন

আসল কথা হল লোগোর কোন নির্দিষ্ট সাইজ হয় না। নির্ভর করে আপনি লোগোটা কোথায় বসাবেন, বিজনেস কার্ড এ বসালে এক রকম সাইজ আবার বিলবোর্ড এ বসালে হবে আর একরকম। তাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ হল লোগো যতই ছোট হোক কিংবা বড় সেটা যেন ভাল মত বুঝা যায়। সাধারণ ডিজাইন করার কথা বলা হয় তার একটা কারন হলো লোগোর বিভিন্ন রকম এর সাইজ। আপনি যখন ডিজাইন করলেন তখন ছোট করে করলেন। অনেক জটিল একটা ডিজাইন, দেখতে ও চমৎকার লাগছে কিন্তু সেটা যখন বড় করবেন দেখা যাবে সেটা দেখতে ভালো লাগবে না। তাই লোগো ডিজাইন করুন সাধারণ ভাবে, সব ধরন এর সাইজ এ নিয়ে দেখুন কেমন হয়। আপনি চেক করলেন না কিন্তু আপনার বায়ার হয়ত চেক করবে, তাই বায়ারের থেকে আপনি এগিয়ে থাকুন।

ফন্টকে এডিট করতে পারেন

বলেছি আগে আপনাকে একটু অন্যরকম করে ডিজাইন করতে হবে, সবার সাথে মিলে এরকম ডিজাইন করলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন, তাই দেখুন সবাই যেভাবে করে সেটা থেকে অন্যরকম কিছু করা যায় কিনা, ফন্ট এর ক্ষেত্রে আপনি যে ফন্ট ব্যবহার করছেন সেটা এডিট করে দেখতে পারেন। বেশিরভাগ ই তো অরিজিনাল ফন্ট ব্যবহার করে এডিট করে না, আপনি একটু এডিট করে দেখুন, কিন্তু খেয়াল করবেন সেটা দেখতে যেন সাধারণ হয় এবং লিখা যেন খুব সহজেই পড়া যায়, আর যদি পারেন তাহলে পেন টুল দিয়ে অথবা ব্রাশ টুল দিয়ে নিজে ই লিখে ফেলুন, তাহলে আর ফন্ট লাগবে না।

অন্যদের কাছে জানতে চান কেমন হল

নিজের ডিজাইন সব সময় ই ভালো লাগে নিজের কাছে, আর নিজের ভুল ধরতে ইচ্ছা ও করে না এটাই মনে হয় স্বাভাবিক। তাই আপনি আপনার ডিজাইন অন্য কাউকে দেখান, ফেসবুক এর গ্রউপে এ পোস্ট করতে পারেন। সেখানে যারা লোগোর কিছুই জানে না তারাও হয়ত কিছু লিখবে আবার যারা অনেক অভিজ্ঞ তারাও হয়ত কিছু লিখবে। সবাই ভালো লিখবে এরকম আশা করবেন না, কেউ সমালচনা করলে আপনি রেগে যাবেন না, যদি মনে করেন সে লোগো ডিজাইন এর কিছু বুঝে না তাহলে কেন সে এগুলি লিখল তাহলে কিন্তু হবে না। মনে রাখবেন আপনার লোগো ডিজাইন দেখবে সাধারণ মানুষ, যাদের বেশিভাগ ই লোগোর কিছু বুঝে না, তাই গুরুত্ব সহকারে তাদের কথাও শুনুন, অভিজ্ঞদের কথা শুনুন, নিজেকে সাধারণ দর্শক হিসেবে চিন্তা করে নিজের ডিজাইন এর সমালচনা করুন, ভুলগুলি ঠিক করুন, দেখবেন কত উন্নতি হচ্ছে।

আমার নাম আরিফুল। গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করি। লিখতে অনেক ভালোবাসি। মুলত আইটি বিষয়ক বিভিন্ন লেখা লিখি থাকি।আমি এই ব্লগের এডমিন। আশা করি আপনাদের ভালো কিছু আর্টিকেল দিতে পারবো যা পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন। এটার সাথে আমি ই ক্যাব এবং জেনেসিস ব্লগে ও লিখে থাকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *