টি শার্ট

এবার টি শার্ট ডিজাইন হবে আরো ক্রিয়েটিভ আরো চমৎকার

এবার টি শার্ট ডিজাইন হবে আরো ক্রিয়েটিভ আরো চমৎকার

টি শার্ট ডিজাইন হচ্ছে ক্রিয়েটিভ ডিজাইন এর মধ্যে অন্যতম, শুধু টুলস এর কাজ শিখলে ই আপনি ভালো টি শার্ট ডিজাইন করতে পারবেন এরকম না। আপনার ডিজাইন অনেক সুন্দর, ক্রিয়েটিভ কিভাবে হতে পারে তার কিছু দারুন উপায় নিচে দিচ্ছি

সময় নিয়ে ডিজাইন করেন

তাড়াহুড়া করবেন না, মানে এরকম না যে পিসি তে বসলেন এক ঘণ্টার মধ্যে ডিজাইন এর কাজ শেষ করে আপনাকে উঠে যেতে হবে, তাই সময় নেন, যেমন প্রথমে স্কেচ করেন উঠে যান, বাইরে ঘুরে আসেন দেখেন নতুন কোন আইডিয়া আসে কিনা, এরপর হয়তো কিছু খেলেন খেতে খেতে চিন্তা করলেন আর কি কি রাখা যেতে পারে, এরপর ঘুমালেন তারপর আবার কাজ শুরু করলেন। আর আপনি যদি মনে করেন আইডিয়া আপনার একবার ই আসে খুব ই ভালো একবারে ই শেষ করে ফেলেন তবে এভাবে ও করে দেখতে পারেন।

 

ডিজাইন টা শার্ট এর মধ্যে দেখেন

কম্পিউটার এর স্ক্রিনে ডিজাইন দেখা আর প্রিন্ট করার পর শার্ট এর মধ্যে ডিজাইন দেখা অনেক পার্থক্য, তাই ডিজাইন করার পর সেটা মকাপে বসিয়ে দেখবেন কেমন হয় যদি সম্ভব হয় প্রিন্ট করিয়ে দেখে নিবেন।

 

বিস্তারিত ভাবে ডিজাইন করুন কিন্তু সিম্পল ডিজাইন

সবাই আপনার ডিজাইন এর প্রশংসা করবে যদি আপনি ডিজাইন সুন্দর আর্টওয়ার্ক দিতে পারেন। তবে সেটা খুব হিজিবিজি না করে যতটা সিম্পল রাখা যায় ততই ভালো, আপনি ডিজাইন এ একটা ম্যাসেজ দিতে চাচ্ছেন সেটা যদি মানুষ না ই বুঝে তাহলে কেন সেই টি শার্ট কিনবে।

 

আপনার মার্কেট এর কথা চিন্তা করুন

বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা যে ধরনের ডিজাইন পড়েন আমেরিকা অথবা ইউরোপের ছেলে মেয়েরা কি এক ই ডিজাইন পড়বে? আবার ছোট বাচ্চারা যে সব ডিজাইন পছন্দ করবে বড়রা কি এক ই ডিজাইন পছন্দ করবে? ছেলেরা যে ডিজাইন পছন্দ করবে মেয়েরা কি এক ই ডিজাইন পছন্দ করবে? তাই এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ আপনার জন্য বুঝতে পারা যে আপনি কাদের জন্য ডিজাইন করছেন, তারা কি পছন্দ করে আর আপনার ডিজাইন করা টি শার্ট কেন তারা পড়বে। সেটা বুঝতে হলে আপনি যখন বাইরে থাকেন তখন টি শার্ট যারা পড়ে তাদের ডিজাইন দেখতে পারেন, আপনার টার্গেট যদি দেশের বাইরে হয় তাহলে ইন্টারনেট হচ্ছে সবথেকে ভালো উপায়। বেশি করে ডিজাইন দেখেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ

রঙ নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ

সঠিক ভাবে রঙ নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। complementary colors ব্যবহার করতে পারেন, যেটা কালার হুইল এর একটা কালারের ঠিক উল্টাপাশের কালার এর কম্বিনিশন। কালার হুইল নিয়ে আমার লেখা জেনে নিন কালার হুইল নিয়ে বিস্তারিত লেখাটা পড়লে আরো ভালো আইডিয়া পাবেন কালার নিয়ে। ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করে ডিজাইন করলে “Global color” অন করে নিতে পারেন তাহলে খুব সহজ হয়ে যাবে আপনার জন্য কাজ করা।

আপনার আর্টওয়ার্ক এর প্রস্তুতি জরুরী

পেন্টন কালার ব্যবহার করবেন যখন স্ক্রিন প্রিন্টিং এর জন্য কাজ করবেন। প্রিন্টার এই কালার অনেক পছন্দ করে, প্রিন্টার এটা ও অনেক পছন্দ করবেন যদি আপনি টেক্সটকে আউটলাইন করে দেন আর স্ট্রোক কে এক্সপেন্ড করে দেন। ইউটিউব এ অনেক ধরনের টিউটোরিয়াল আছে এগুলার উপর, প্রয়োজন হলে সাহায্য নিতে পারেন।

 

পড়াশুনা করে নেন ডিজাইন এর আগে

একটা জিনিস আপনি যদি ভালো করে বুঝতে চান তাহলে আপনাকে সেটার উপর পড়াশুনা করা লাগবে, টি শার্ট এর ধরন বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছে যেমন bands, skateboarders, street art, sports crossovers or general pop culture তাই আপনি যখন এগুলার মধ্যে কোনটা ডিজাইন করতে যাবেন আপনার প্রয়োজন হবে ব্যাপারগুলা সম্পর্কে ভালো ভাবে জানা।

 

সবার আগে থাকুন

অন্য ডিজাইন দেখে অনুপ্রানিত হোন কিন্তু নকল করবেন না, ট্রেন্ড বুঝার চেস্টা করেন, সে অনুযায়ী ডিজাইন করেন, ডিজাইন দেখা ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কালার, ফন্ট, গল্প ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন অনেক কিছু।

 

 

 

আমার নাম আরিফুল। গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করি। লিখতে অনেক ভালোবাসি। মুলত আইটি বিষয়ক বিভিন্ন লেখা লিখি থাকি।আমি এই ব্লগের এডমিন। আশা করি আপনাদের ভালো কিছু আর্টিকেল দিতে পারবো যা পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন। এটার সাথে আমি ই ক্যাব এবং জেনেসিস ব্লগে ও লিখে থাকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *